Get Up to 40% OFF New-Season StylesMenWomen * Limited time only.

গরমের আরাম ফতোয়া

গরমের আরাম ফতোয়া

গরমে পরতে আরাম এরকম পোশাকের মধ্যে আছে সুতি কাপড়ের তৈরি ফতুয়া, কামিজ, শার্ট, টি-শার্ট। আর এখন জিন্সের সাথে ফতুয়া যেকোন তরুণ-তরুণীর প্রিয় পোশাক। পাশাপাশি টপস ও কুর্তিতো রয়েছেই।

বর্তমানে ফ্যাশনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ধারার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন আঙ্গিক। দেশজ ও আন্তর্জাতিক ধারা মিশে একইসঙ্গে পরিবেশিত হচ্ছে বিভিন্ন বুটিক হাউস ও বুটিকধর্মী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। ফ্যাশনের এ পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ইদানিং দেখা যায় মেয়েরা পাঞ্জাবি স্টাইলের কামিজ ধাঁচের লম্বা ফতুয়া পরে। একে বলা হয় কুর্তি।

ছেলেদের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে গত কয়েক বছর ধরে ফতুয়া এবং টি-শার্টের মতো পোশাকগুলোর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। মেয়েরা ইদানিং টপস, ফতুয়ার পাশাপাশি কুর্তির প্রতিও বেশ আকৃষ্ট হয়েছে।

“কুর্তি হচ্ছে ফতুয়ার আধুনিক রূপ। এটি ভারতিয় একটি ডিজাইন। এককথায় বলা যায়- কুর্তি দেখতে পাঞ্জাবির মতো কিন্তু লম্বায় কোমরের একটু নিচে এবং এতে কোন পকেটের ব্যবহার থাকবে না। এসব পোশাক বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুতি কাপড় দিয়ে তৈরি হয় বলে এই গরমে বেশ আরামদায়ক।”

আমাদের দেশে ফতুয়া একসময় পরতেন বেশি বয়সী মানুষেরা। তখন ফতুয়ার ধরন আজকের মতো ছিল না। প্রবীণরা হাফ হাতার সুতি ফতুয়া ব্যবহার করতেন। সে সময় ফতুয়া ছিল সাবেকি ধাঁচের সাদামাটা এক পোশাক, গোল গলা, নিচে পকেট। সেই ফতুয়াই এখন তৈরি হচ্ছে হাল ফ্যাশনের উপযোগী করে।

এই পোশাকটি পরিবর্তিত হয়ে রূপ নিয়েছে টপস এবং কুর্তিতে। আজকাল গরমে সবাই স্বস্তি পান এসব পোশাক পরে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে দারুণ হুজুগ তৈরি হয়েছে। ঘরে-বাইরে সব জায়গায় তরুণদের প্রথম পছন্দের পোশাক ফতুয়া, টপস।

বছরের সব সময়েই এসব পোশাক পরা হচ্ছে। তবে সারা বছর চাহিদা থাকলেও গরমে আরামদায়ক পোশাক হিসেবে এ পোশাকগুলোর জুড়ি নেই। নামীদামি ফ্যাশন হাউস থেকে শুরু করে গলির মোড়ের নতুন বুটিকেও রাখা হয় ফতুয়া কিংবা টপসের চমৎকার সব সংগ্রহ। এক সময়ের প্রবীণদের পোশাক ফতুয়া এখন তারুণ্যের প্রতীক।

আগের ফতুয়ার সঙ্গে এখনকার ফতুয়ার নকশাতেও আকাশ-পাতাল তফাত। ব্লক, হ্যান্ড-পেইন্ট, চুমকি, টাই-ডাই সবকিছুই এই পোশাকে এনেছে বৈচিত্র। আর রঙের ক্ষেত্রে গাঢ় রঙের ব্যবহারই বেশি হচ্ছে । কলারসহ বা ছাড়া, লম্বা-আধা-ছোট হাতা, কাটার ধরন ও গলার নকশায় বৈচিত্র এখন চোখে পড়ার মতো।

এছাড়া বিশেষ বিশেষ দিবসকে কেন্দ্র করেও তৈরি হচ্ছে ফতুয়া। যা দিবসগুলোকে আরও অর্থবহ করে তোলে।

আড়ং, কে ক্রাফট, অঞ্জন’স, বিবিয়ানা, মায়াসির, আলমিরা, নিপুণসহ দেশের জনপ্রিয় সব বুটিকেই রয়েছে ফতুয়া, টপস কিংবা কুর্তির বৈচিত্রপূর্ণ সংগ্রহ। সিল্ক, সুতি, এন্ডি, সব ধরনের পোশাক পাওয়া গেলেও গরমে সবাই প্রাধান্য দেন সুতির ওপর। আর ফতুয়া যেহেতু গরমেই চলে বেশি তাই সুতি কাপড়েই তৈরি হয় এই পোশাক।

বিভিন্ন বুটিক হাউসগুলো থেকে ফতুয়া, টপস ও কুর্তি কেনা যাবে ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যেই। তবে ডিজাইন ও মিডিয়ার কারণে এক্সক্লুসিভ ফতুয়ার দাম একটু বেশি পড়বে। বুটিক ছাড়া সাধারণ মার্কেট বা যেকোনো শপিংমলেও পাবেন চমৎকার নকশার ফতুয়া বা টপস। এই গরমে একটি ফতুয়া, টপস অথবা কুর্তি আপনাকে দিতে পারে পরনে আরাম।